আবাসন সংকটে ভুগছেন ইবি শিক্ষার্থীরা

আবাসন সংকটে ভুগছেন ইবি শিক্ষার্থীরা
কুষ্টিয়ায় অবস্থিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৩৬টি বিভাগে ১৮ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছেন। এই বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসংখ্যা মাত্র আটটি, যার সিটসংখ্যা মাত্র ২ হাজার ৬২৬টি। শতকরা হিসাবে এটা মাত্র ১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আর ৮৫ দশমিক ৪১ শতাংশ, তথা ১৫ হাজার ৩৭৪-এর চেয়ে অধিক শিক্ষার্থী আবাসিক সুবিধা পাচ্ছেন না। তাদের মধ্যে অধিকাংশই কুষ্টিয়া কিংবা ঝিনাইদহ শহরের বিভিন্ন মেস বা ভাড়া বাড়িতে অবস্থান করছেন। প্রতিদিন যাতায়াতে তাদের দুই ঘণ্টা করে সময় নষ্ট হচ্ছে। তাছাড়া যাতায়াতের ক্লান্তি, বাসে সিট না পাওয়াসহ আরো বিভিন্ন বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ সড়কের বেহাল দশাও তাদের প্রতিনিয়ত ভোগাচ্ছে।
অন্যদিকে ক্যাম্পাস-সংলগ্ন শেখপাড়া ও আনন্দনগর এলাকায়ও বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেসে অবস্থান করছেন। ক্যাম্পাসের এরিয়াতে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সুবিধা থাকলেও শেখপাড়া, আনন্দনগর কিংবা তার আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎবিভ্রাট একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ যাবতীয় কার্যকলাপে বিঘ্ন ঘটছে।
আবাসন সংকট নিরসনে নতুন ১০ তলা ছাত্রহল (দুটি) ও ছাত্রীহল (একটি) এবং শহীদ আনাস হলের নির্মাণাধীন দশতলা ভবনের নির্মাণকাজ ২০২২ সাল নাগাদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এ বছর আর নির্মাণাধীন হলগুলো চালু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। বারবার বাজেট, নির্মাণব্যয় ও সময় বৃদ্ধি করা হলেও কাঙ্ক্ষিত কাজ আশার মুখ দেখেনি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত, এ বিষয়ে নজরদারি বৃদ্ধি করা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় এনে যথাযথ কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া।
শাহাদাত হোসেন শিহাব
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

