মেধা পাচার বন্ধ হোক

প্রতিবছর আমাদের দেশ থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিপুল শিক্ষার্থী যায়। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়। বাবা মায়েরা তাদের সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় সহায় সম্বল উজাড় করে দেন। শিক্ষার্থীরা সেই সকল দেশে ভালো সুযোগ সুবিধা পেয়ে সেখানেই থেকে যায়। দেখা যায় একদিকে যেমন মেধা পাচার হচ্ছে । তেমনি বাংলাদেশের বিপুল অর্থ ও অন্য দেশে চলে যাচ্ছে। এছাড়া এর ফলে মেধাবী সংকট ও দেখা দিচ্ছে। এবং জাতীয় উন্নয়নকে পিছিয়ে দিচ্ছে।
দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের দেশে মেধাবী প্রজন্ম যথাযথ মর্যাদা ও কাঙ্ক্ষিত মূল্যায়ন পায় না।দেখা যায়, ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে মেধাবী যোগ্যজনকে নিয়োগ না দিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয় অযোগ্যজনকে। একজন মেধাবী যখন দেখেন, তিনি তার মেধা- যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন পান না কিংবা তার চেয়ে কম যোগ্য, অনেক ক্ষেত্রে অযোগ্য কেউ একজন যখন সে সুযোগ-মূল্যায়ন পেয়ে বসেন, তখন যৌক্তিক কারণেই তিনি সেটা মেনে নিতে পারেন না। ফলে সিস্টেমের প্রতি, সার্বিকভাবে দেশের প্রতি তার একটা অনীহা জন্মে যায়। তখন তিনি দেশত্যাগে মরিয়া হয়ে ওঠেন।
মেধা পাচার রোধ করতে এখনই সরকারকে তৎপর হতে হবে। যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য মর্যাদা দেয়া,দেশের শিক্ষার মান বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, উন্নত কর্মপরিবেশ,দক্ষতা যথাযথভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ দেওয়া,নিরাপদ জীবনযাপন, রাজনৈতিক নৈতিক প্রভাবমুক্ত কর্মসংস্থান ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করতে হবে। তবেই দেশের মেধা দেশে থাকবে এবং দেশ ও জাতির সুকল্যাণ নিশ্চিত হবে

