বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন

তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

Author

বরকত আলী , দিনাজপুর সরকারি কলেজ, দিনাজপুর।

প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৫ পাঠ: ৮২ বার

দৈনিক করতোয়া

তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

বরকত আলী

বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার অধিকাংশই তরুণ এবং বলা হয়ে থাকে আজকের তরুণরাই আগামী দিনের কর্ণধার। তরপরা দেশের সকল প্রকার অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সবসময়ই সোচ্চার ছিল। আর বাংলাদেশের হতিমাসে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে যার প্রতিফলন বিভিন্ন সময় দেখা যায়, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, নফাইয়ের স্বৈরাচার চোর বিরোধী বিরোধী আন্দোলন এবং সবশেষ চকিশে-এরাণঅভ্যুথানে তরুণ, যুবকদের সাহনী ভূমিকা ও আত্মত্যাগের জন্যই বাংলাদেশের জনগণ নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে।

তাই বলা যায় আজকের বাংলাদেশ গঠনে করুণাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য ও প্রশংসনীয়। ফলে তরুণদের আরও কিভাবে দেশের স্বার্থে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রন থেকে আলোচনা করা হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে দেশগুলোতে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার গুরুত্ব প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে বর্তমান সমগ্রে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ফলে বাংলাদেশে তরুণ-যুবক শিক্ষার্থীদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া নিয়েও নানা মহল থেকে বলা হচ্ছে। আর বাংলাদেশ প্রৎকৃতিগতভাবে প্রাকৃতিক দুযেগিপ্রবণ একটি দেশ যহলে প্রায় প্রতিবছরই প্রাণহানি এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখিন হয়ে থাকে। তরুণদের দশের প্রতিরক্ষা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলাসহ তাঁদের মধ্যে দেশপ্রেম বৃদ্ধি করে আত্মনির্ভরশীলতা, সুশৃঙ্খল জীবনযাপন ও দায়িত্বশীল করে গগড়ে তুলতে সাহায্য করবে। ভরে কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, সবার জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ চালু করা হলে দেশজুড়ে নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়তে পারে। ভাই, বিষয়টি গুরত্ব সহকারে পর্যালোচনা করে একটি মধ্যমপন্থা অবলম্বন করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এমন কিছু ভাবতে হবে যাতে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় এবং একই সাথে তরুণ সমাজও উপযুক্ত প্রশিক্ষণ পায়। তরলাদের সাময়িক প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টি যেমন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ব্যাপার তেমনি এর সাথে অর্থিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। প্রতিবছর লাখ-লখ প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে গেলে সে অনুযায়ী প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং প্রশিক্ষকও দরকার হবে যা এই মুহূর্তে হয়তো আমাদের কাছে নেই তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় চাইলে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে এবং ধীরে ধীরে এই সংকট কাটিয়ে উঠা সম্ভব হবে উল্লেখ্য বর্তমানে আনসার ভিডিপির মাধ্যমে প্রতিটি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সীমিত পরিসরে প্রতি বছরই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং একাই সাথে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (জিএনসিসি)
এর মাধ্যমেও স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি সীমিত পরিসরে সামরিক বাহিনীর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে আনসার ভিডিপি এবং বিএনসিসির কার্যক্রম ব্যাপকভাবে হড়িয়ে দিয়ে এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও উন্নত করার মালামে সামরিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাড়িয়ে দেশের জনগণের আশা-আকাতজ্ঞা কিছুটা বস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব। আর পরবর্তিতে দেশে আইন বা নির্দিষ্ট বিধি প্রণয়ন করে অগ্রাহী এবং যোগ্য তরুণদের বাস্তাই প্রত্রিনয়ার পরিসরে কার্যক্রম বাড়বো সামরিক
প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীতা ও সম্ভাবনামূলক দিকগুলো। ১। জাতীয় প্রতিরক্ষা শক্তিশালীকরণ, ২ শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ, ৩। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় দক্ষতা, ৪। শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, ৫। যুব সমাজকে অপরাণ ও মাদক থেকে দুয়ে রাখা। সর্বজনীন সামরিক প্রশিক্ষণের চ্যালেঞ্জ ১। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি, ২। সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রসার, ৩। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, ৪। শিক্ষাক্ষেত্রে বিরূণ প্রস্তাব।
সমাধান ও সুপারিশের দিকগুলো। ১। প্রশিক্ষণার্থী বাছাই করা, ২। প্রশিক্ষণার্থীদের পর্যবেক্ষণ, ৩ নৈতিক ও দেশদ্রেগ্রামের শিক্ষা প্রদান, ৪। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ৫। প্রশিক্ষণের সমদ মূল্যায়ন। বর্তমান বিশ্বে তরুণদের সমন্বিত প্রশিক্ষণ দেওয়া বিষয়া একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। অর এই প্রশিক্ষণ তরুণদের আত্মনির্ভরশীল, শৃঙ্খলাবদ্ধ, দায়িত্বশীল, তাঁদের নেতৃত্বগুণ বিকাশসহ শার্থীরিক ও মানসিকভাবে সুসংগঠিত করার পাশাপাশি জাতীয় চেতনা বোধ ক দেশপ্রেম জাগ্রত করবে আর পরবর্তীতে রাষ্ট্র বিভিন্নভাবে এর সুফল নিতে পারবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, প্রতিকূল অবস্থা বা দুর্যোগ মোকাবিলাসহ সমাজের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে গ্রার অভিজ্ঞতা বা শিক্ষা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে আর্থিক সংশ্লিষ্টতা বিবেচনায় রেখে, একটি কার্যকর সামরিক প্রশিক্ষণ কাঠামো তৈরি করা। যা দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় ও সুরক্ষিত করবে পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সহায়ক হবে। আর। । আর এটি একই সাথে দেশের ভবিষ্যৎ বিভিন্ন সালেঞ্জ মোকাবিলায়াত কার্যকবা ভূমিকা রাখছে।

লেখক

শিক্ষার্থী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ

এক্স-সিইউ ক্যাডেট আড্ডার অফিসার, বিএনসিসি

লেখক: সদস্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
এই লেখাটি ১০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে দৈনিক করতোয়া পত্রিকায় প্রকাশিত।
লিংক কপি হয়েছে!