বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন

কিশোর গ্যাং সমস্যা

Author

মোঃ সিফাতুল্লাহ তাসনীম , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশ: ৩ জানুয়ারি ২০২৪ পাঠ: ৫৩ বার

আলোচিত সামাজিক অপরাধসমূহের অন্যতম কিশোর গ্যাং। ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় অনেক কিশোরই জড়িয়ে পড়ছে এই অপরাধে। যে কিশোরদের উচিত ছিল তারা আত্মবিকাশে মনোযোগী হবে কিংবা মাঠে খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকবে, তারা আজ জড়িয়ে পড়ছে চুরি-ছিনতাই, ইভটিজিং, মাদক কারবারি, এমনকি খুনের মতো মারাত্মক অপরাধকর্মে। এই সমস্যা সমাধানে প্রথমত প্রয়োজন পারিবারিক সচেতনতা এবং নৈতিক শিক্ষা। সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কাদের সঙ্গে চলাফেরা করছে—এসব ব্যাপারে মা-বাবার চোখকান খোলা রাখতে হবে। বড় ভাই বা বড় বোন থাকলে তাদেরও উচিত খেয়াল রাখা যে, তার কিশোর ভাইটি কাদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ও গুণীজনদেরকেও এগিয়ে আসতে হবে। যারা বিভিন্ন সেবামূলক সংগঠনে কাজ করেন, তারা কিশোরদের নানা সামাজিক কার্যক্রমে যুক্ত করে তাদেরকে ভালো কাজে ব্যস্ত রাখতে পারেন। কিশোরদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও খেলাধুলার আয়োজন করা যেতে পারে। লক্ষণীয়, একটি কিশোর গ্যাংয়ের সাধারণত একজন গ্যাং-লিডার থাকে এবং তার নেতৃত্বেই একটি গ্যাং প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। অনেক সময় কোনো রাজনৈতিক নেতাও তার স্বার্থে এসব কিশোর গ্যাং ব্যবহার করে থাকতে পারেন। তাই কাদের ইন্ধনে বা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সহযোগিতায় একটি গ্যাং গড়ে উঠছে বা কার্যকলাপ চালাচ্ছে, তা শনাক্ত করা প্রয়োজন এবং আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। মা-বাবা, গুণীজন, স্থানীয় প্রশাসন—সকলের সচেতন পদক্ষেপ আমাদের কিশোরদেরকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।

সিফাতুল্লাহ তাসনীম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

লেখক: কার্যনির্বাহী সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
এই লেখাটি ৩ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত।
লিংক কপি হয়েছে!