বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন
হোম / ফিচার / নিবন্ধ

মহামায়া থেকে খৈয়াছড়া স্মৃতিতে ভরা এক শিক্ষাসফর

Author

তানভীর আহমদ রাহী , চট্টগ্রাম কলেজ

প্রকাশ: ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ পাঠ: ৩৫ বার

মহামায়া থেকে খৈয়াছড়া, স্মৃতিতে ভরা এক শিক্ষাসফর

তানভীর আহমদ রাহী

শরতের রোদে স্নিগ্ধ এক সকাল। চট্টগ্রামের বিবিরহাটে উৎসবমুখর পরিবেশে জড়ো হয়েছেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদরাসায় অধ্যয়নরত সিলেট বিভাগের শিক্ষার্থীরা। দিনটি তাদের জন্য ছিল বিশেষ ১৮ অক্টোবর, শিক্ষা সফরের দিন। সকাল ৮টায় গাড়ি ছাড়ল মহামায়ার পথে। যাত্রার শুরুতেই পরিবেশন করা হলো হালকা নাস্তা। গাড়ির ভেতর গজলের সুরে মুখরিত হয়ে উঠল চারপাশ, ছড়িয়ে পড়ল আনন্দের আবহ।

সকাল ১০টার কিছু আগে গাড়ি পৌঁছায় মহামায়া ইকো পার্কে। পাহাড়, লেক ও সবুজ প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে যায় সবাই। কেউ ছবি তোলে, কেউ বা নীরবে উপভোগ করে প্রকৃতির শান্ত সৌন্দর্য। কিছুক্ষণ পর আয়োজন করা হয় মজার প্রতিযোগিতা, এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক প্রীতিম্যাচ ফুটবল খেলা। দুপুর ১টার দিকে সবাই একত্রে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেয় হাসি, গল্প আর খাওয়া দাওয়া মিলিয়ে পরিবেশটা হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।
খাবার শেষে বিকেল ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হয় খৈয়াছড়া ঝর্ণার পথে নতুন যাত্রা। বিকেল ২টার দিকে গাড়ি পৌঁছে যায় মহামায়ার মূল সড়কে। সেখান থেকে সিএনজিতে করে ভেতরে প্রবেশ করে শুরু হয় প্রায় ৪০ মিনিটের হাঁটা। পাহাড়ি ঝিরিপথ, পাথুরে রাস্তা আর গাছপালায় ঘেরা পথ পেরিয়ে অবশেষে চোখে পড়ে খৈয়াছড়ার নয়নাভিরাম ঝর্ণা। ঝরে পড়া জলের শব্দে মিলিয়ে যায় দিনের সব ক্লান্তি। শিক্ষার্থীরা কেউ ঝর্ণায় স্নান করে, কেউ উপরে উঠে আবিষ্কার করে নতুন ঝরনার সৌন্দর্য। প্রকৃতির কোলে সেই মুহূর্তগুলো হয়ে ওঠে নিখাদ আনন্দের প্রতিচ্ছবি। বিকেল ৫টার দিকে সবাই ফিরে আসে মূল সড়কে, এরপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিবিরহাটে এসে ভ্রমণের সমাপ্তি ঘটে। প্রকৃতির সৌন্দর্য, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন ও স্মৃতির মেলবন্ধনে এ শিক্ষা সফর অংশগ্রহণকারী সকলের মনে রেখে গেছে এক অনন্য দিন।

তানভীর আহমদ রাহী
শিক্ষার্থী : ফাযিল ১ম বর্ষ, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদরাসা
ষোলশহর,চট্টগ্রাম

লেখক: সদস্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
এই লেখাটি ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রতিদিনের সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত।
লিংক কপি হয়েছে!