ধর্ষকের থাবায় বিপন্ন শিশু জীবন।

<span;>বর্তমান বাংলাদেশে ধর্ষণ একটি সামাজিক ব্যাধিতে রূপ নিয়েছে। পত্রিকার পাতা উল্টাতে কিংবা অনলাইনে নিউজ স্ক্রোল করতে গেলেই চোখে পড়ে ধর্ষণের ভয়াবহ রূপ। এই ভয়াবহতার হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না আমাদের মা,বোন এমনকি ছোট্ট শিশুরা। তাঁরা কখনো দলবদ্ধ, কখনো একাকী ধর্ষণের স্বীকার হচ্ছে। কখনো বা ধর্ষণের পর দেখা মিলছে নারীর বিবস্ত্র দেহ। আবার ধর্ষণের পর হত্যার মতো ঘটনাও যেন কম নয়। এটি যেন পুরুষতান্ত্রিকতার বাড়াবাড়ি। এইসব কর্মকান্ড পুরুষের নৈতিক চরিত্রের স্খলন। দায়ী পুরুষের কামনালোলুপ দৃষ্টিভঙ্গি। পুরুষের চোখে নারী যেন কেবল কামনার ভোগবস্তু। নারীর প্রতি এই লোলুপ দৃষ্টিই সমাজে এই (ধর্ষণ) ভয়াবহতা ছড়িয়েছে। সম্প্রতি পুরুষের এই লোলুপ দৃষ্টি থেকে ছাড় পাচ্ছে না ছোট শিশুরাও। চলুন দেখা নেওয়া যাক সম্প্রতি ঘটে যাওয়া শিশুর প্রতি এই ভয়াবহ কর্মকান্ডের চিত্র :
<span;> ১. নেত্রকোনায় মাত্র ৭ বছর বয়সের প্রথম শ্রেণির
<span;>শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ভয়াবহতায় তাকে বাঁচাতে জরায়ু কেটে ফেলতে হয়েছে চিকিৎসকদের। গত ৪ মার্চ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার জরায়ু কেটে ফেলা হয়।
<span;>
<span;>২.কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসা পড়ুয়া এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিশুটির পরিবার জানায়, আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি আছে ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী।
<span;>
<span;> যে বয়সে শিশুর হেসেখেলে বেরানো কথা সেই বয়সে নিরাপত্তাহীন জীবন।এই নিরাপত্তাহীনতার পিছনে দায়ী আমাদের সমাজ এবং রাষ্ট্র। সাত ও দশ বছর বয়সের শিশুদুটির একটাই দোষ তাঁরা কন্যা শিশু। তাঁরা সমাজে নারী; আর এই নারী হচ্ছে পুরুষের দৃষ্টিতে কেবল কামনা মেটানোর বস্তু। নিকৃষ্ট মানসিকতা কারণে ধর্ষণ আজকের সমাজে মহামারী রূপ ধারণ করেছে। পুরুষের এই নিকৃষ্টতর কর্মকান্ডের জন্য নেত্রকোনার ৭ বছরের শিশুটি জরায়ু কেটে ফেলা হয়েছে। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়তে হচ্ছে কুষ্টিয়ার ১০ বছরের মাদ্রাসা পড়া শিশুটিকে।
<span;>কতটা বীভৎসতা!! রাষ্ট্রের উচিত সমাজের এই ভয়াবহ কর্মকান্ড রোধ করা। ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা। বিপন্নতার হাত থেকে শিশু জীবন রক্ষা করা।

