সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন

বিষাদের গদ্য

Author

নকীবুল হক , নোয়াখালী বিজ্ঞান অ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশ: ১ এপ্রিল ২০২৪ পাঠ: ৩১ বার

কী অদ্ভুত সুন্দর জীবন আমার—চিরকেলে অভুক্ত বিষণ্ণতা জড়িয়ে রাখে আপাদমস্তক। এই বিষাদের অর্থ আমার জানা নেই। জানি না এই মন খারাপের খারাপের কারণ, এই অতৃপ্তি কিংবা দুঃখের কৈফিয়ত। তবু পরম মমতায় আলিঙ্গন করি জীবনের নির্বেদ-বেদনাবোধ। কখনো খুঁজতেও যাই না এইসব বিষাদের উৎস। কে কখন বিষাদের তীর ছুঁড়ে দিয়েছিল সে হিসেব রাখারও প্রয়োজন বোধ করিনি। যে জীবন বিষাদের, সেখানে ভালোবাসার আশা করা অন্যায় বই কী! তবে যদি কখনো তুমুল গাঢ় বিষাদে ছেয়ে যায় মন, আমি আকাশের পানে লিখে দিই—’বিষাদ ছুঁয়েছে আজ, মন ভালো নেই।”

মাঝেমধ্যে আদিম অক্টোপাসের মতো গ্রাস করে নিঃসঙ্গ একাকীত্ব। বিষাদগ্রস্ত আমি ভয়াবহ শূন্যতার পদতলে পিষ্ট হতে হতে ভাবি—জীবনের আরেক নাম কি তাহলে মরীচিকা! কিংবা বিষাদ-সাগর! যে মরীচিকার পিছনে ছুটতে ছুটতে মানুষ ডুবে যায় এক অতলস্পর্শী বিষাদে! খুব বেশি ভাবতে পারি না। করোটি জুড়ে যে বিষাদের অনুরণন, তাতে ঝিমধরা অলস দুপুরের মতোই কেটে যায় সময়। গভীর এক বেদনাবোধে স্তব্ধ হয়ে ভাবি—দূরে কোথাও চলে যাই—অনেক দূরে—কোনো সমুদ্র উপকূলে, দূর পাহাড়ের আদিম গুহায়—একা—চলে যাই দূরের কোনো গহীন বনে। যেখানে কর্পূরের মতোই অনায়াসে ফুরিয়ে যাবে জীবনের সমস্ত সময়! স্তব্ধতা কেটে যায় একসময়—বিকেলের দীর্ঘ ছায়ায় ভেসে ওঠে আমার পূর্বপুরুষদের মুখ। তারা যে বিষাদের পথ মাড়িয়ে চলেছেন, আমাকেও চলতে হবে সে পথ ধরেই—যে পথে জীবন প্রেমিকার প্রস্থানের চেয়েও দীর্ঘতর বিষাদের! 

লেখক: সভাপতি, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
এই লেখাটি ১ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকায় প্রকাশিত।
লিংক কপি হয়েছে!

ফোরাম ব্লাড ব্যাংক

রক্তদাতা খোঁজা হচ্ছে...

জরুরি প্রয়োজনে রক্তদাতা খুঁজুন

উপরের ফর্ম থেকে রক্তের গ্রুপ ও ঠিকানা নির্বাচন করে অনুসন্ধান করুন।