শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন

৩১২ নম্বর রুম: তিন বছরে যে মেস হয়ে উঠেছে দ্বিতীয় বাড়ি

Author

মাসফিকুল হাসান , বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পাঠ: ৫ বার

৩১২ নম্বর রুম: তিন বছরে যে মেস হয়ে উঠেছে দ্বিতীয় বাড়ি

রংপুরের মেসজীবনের গল্পটা হয়তো বাইরে থেকে খুব সাধারণ। কয়েকটি ঘর, একটি রান্নাঘর, বারান্দা, ওয়াশরুম, নিচতলায় কারও চায়ের দোকান কিংবা রাস্তার পাশে ভাতের হোটেল। সকালে ব্যস্ত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে ছুটে যাওয়া, দুপুরে ক্লাস শেষে ফিরে আসা, সন্ধ্যায় চায়ের আড্ডা, রাতে পড়ার টেবিলে বসা—এই তো জীবন।

কিন্তু যারা মেসে থাকে, তারা জানে, একটি মেস কখনো শুধু ইট-পাথরের ঘর নয়। সেখানে জমে থাকে মানুষের গল্প। কারও বাড়ি থেকে আসা খাবারের গন্ধ, কারও পরীক্ষার দুশ্চিন্তা, কারও চাকরির প্রস্তুতি, কারও প্রেমে পড়ার গল্প, কারও মন খারাপ, আবার কারও সাফল্যের ছোট্ট উদ্‌যাপন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একটি মেস হয়ে ওঠে অনেক তরুণের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরে পড়তে এসে ২০২৩ সালে আমি যে মেসে উঠেছিলাম, আজও সেই মেসেই আছি। শুধু মেসে থাকা নয়, একই কক্ষেও আছি—৩১২ নম্বর রুমে। তিন বছর কেটে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক মুখ বদলেছে, অনেক পরিচিত মানুষ ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে গেছেন, নতুন মুখ এসেছে। বদলেছে সেমিস্টার, বদলেছে ক্লাসের রুটিন, বদলেছে জীবনের অনেক হিসাব। কিন্তু ৩১২ নম্বর রুমটি এখনো আগের মতোই আছে। আর এই ঘরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে আমার বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের অনেকটা সময়।

২০২৩ সালে যখন মেসে উঠি, তখন সবকিছুই নতুন। নতুন শহর, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়, নতুন মানুষ। পরিবারের কাছ থেকে দূরে থাকার অভিজ্ঞতাও নতুন। বাড়িতে থাকতে অনেক কিছুই সহজ ছিল। কখন খেতে হবে, কী খেতে হবে, কখন ঘুমাতে হবে—এসব নিয়ে খুব বেশি ভাবতে হতো না। কিন্তু মেসে এসে বুঝলাম, নিজের জীবনটা নিজের মতো করে চালানোও একটা বড় দায়িত্ব।

প্রথম দিকে ঘরটাকে শুধু থাকার জায়গাই মনে হয়েছিল। একটি বিছানা, একটি টেবিল, কিছু বই, কাপড় রাখার জায়গা—এই ছিল ৩১২ নম্বর রুমের সঙ্গে পরিচয়। তখন কে জানত, এই ঘরই একদিন এত স্মৃতির সাক্ষী হয়ে থাকবে?

সময় গড়াতে ঘরটির সঙ্গে সম্পর্কও বদলাতে শুরু করল। দেয়ালে বইয়ের তাক, টেবিলের ওপর ল্যাপটপ, ক্যামেরার সরঞ্জাম, ব্যাগ, কাপড়, নোটবুক—ধীরে ধীরে ঘরটি হয়ে উঠল নিজের মতো। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় মেসজীবন অনেকটা স্বাধীনতার স্বাদ দেয়। নিজের সময় নিজের মতো করে কাটানো যায়। ক্লাস থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া, কাজ থাকলে বাইরে বের হওয়া, রাত জেগে পড়া কিংবা কোনো প্রতিবেদন লেখা—সবকিছুই নিজের সিদ্ধান্তে করা যায়।

নিজের কাপড় নিজেকেই গুছাতে হয়। কখনো বাজার করতে হয়, কখনো রান্নাঘরের হিসাব মেলাতে হয়। মাসের শেষে ভাড়া, বিদ্যুৎ, পানি, খাবার—সবকিছুর হিসাব করতে হয়। কখনো মাসের শুরুতে মনে হয়, হাতে তো টাকা আছে। কিন্তু মাস শেষ হওয়ার আগেই হিসাবের খাতা অন্য কথা বলে। তখন বুঝতে হয়, বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের বড় একটি শিক্ষা বইয়ের বাইরে—কীভাবে সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে জীবন চালাতে হয়।

একটি মেসের সবচেয়ে প্রাণবন্ত জায়গা সম্ভবত রান্নাঘর। রান্নাঘর মানেই শুধু রান্না নয়; সেখানে থাকে আড্ডা, অভিযোগ, হাসি আর কখনো কখনো তর্কও। কোন দিন তরকারিতে লবণ বেশি হয়েছে, কোন দিন ডাল পাতলা, আবার কোনো দিন রান্না ভালো হয়েছে বলে সবাই খুশি—এগুলোও মেসজীবনের অংশ।

বাড়িতে মায়ের রান্নার স্বাদ যে অন্যরকম, সেটা মেসে উঠেই আরও ভালোভাবে বোঝা যায়। বিশেষ করে ছুটির পর মেসে ফিরে প্রথম কয়েক দিন বাড়ির খাবারের কথা খুব মনে পড়ে। বাড়ি থেকে মা কোনো খাবার পাঠালে সেটি একা খাওয়ার সুযোগও হয় না। পাশের রুমের বন্ধুরা জানতে চায়, ‘বাড়ি থেকে কী এসেছে?মেসজীবনের এই ভাগাভাগির মধ্যেই তৈরি হয় এক ধরনের সম্পর্ক—রক্তের সম্পর্ক নয়, কিন্তু প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানোর সম্পর্ক।

মেসজীবনের সবচেয়ে বেশি গল্প সম্ভবত রাতের। দিনের ব্যস্ততা শেষ হলে মেস কিছুটা নীরব হয়ে আসে। কেউ পড়ছে, কেউ মোবাইল দেখছে, কেউ আগামী দিনের ক্লাসের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আবার কোনো কোনো রাতে আড্ডা জমে যায়। পরীক্ষার আগের রাত, অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার আগের রাত, কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ করার তাড়া—এসব কারণে কত রাত যে ঘুম ছাড়া কেটেছে, তার হিসাব নেই।

কখনো রাত গভীর হলে মনে হয়েছে, ‘আর একটু পরেই ঘুমাব।’ তারপর ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখা গেছে রাত অনেক। ক্যাম্পাসের কাজের সূত্রে কখনো খবর লিখতে হয়েছে, কখনো ছবি বা ভিডিও সম্পাদনা করতে হয়েছে। কোনো কোনো রাতে ঘরের আলো জ্বলেছে অন্য সবার ঘুমিয়ে পড়ার পরও।

৩১২ নম্বর ঘরের টেবিল তাই শুধু পড়াশোনার সাক্ষী নয়; এটি বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের নানা ব্যস্ততারও সাক্ষী। একটি মেসের আসল গল্প তার ঘরগুলোতে নয়, মানুষগুলোর মধ্যে। কেউ আসে উত্তরবঙ্গের কোনো জেলা থেকে, কেউ দূরের কোনো শহর থেকে। কারও পরিবার স্বচ্ছল, কারও পরিবারকে অনেক হিসাব করে সন্তানের পড়াশোনার খরচ চালাতে হয়। কেউ খুব চুপচাপ, কেউ আবার সারাক্ষণ গল্প করতে ভালোবাসে।

সবাই আলাদা। কিন্তু একই ছাদের নিচে থাকতে থাকতে একটা অদ্ভুত সম্পর্ক তৈরি হয়। কারও জ্বর হলে অন্যরা খোঁজ নেয়। কেউ বাড়ি গেলে তার জন্য খাবার রেখে দেওয়া হয়। কারও পরীক্ষার আগে নোট দরকার হলে অন্যজন দিয়ে দেয়। কারও হাতে টাকা কম থাকলে কখনো বন্ধুই সাময়িকভাবে সাহায্য করে। এসব ঘটনা সংবাদপত্রের বড় খবর নয়। কিন্তু একজন মেসবাসী শিক্ষার্থীর জীবনে এগুলোই অনেক সময় সবচেয়ে বড় খবর। মেস কখনো বাড়ির বিকল্প হতে পারে না। বাড়ির মানুষ, মায়ের রান্না, বাবার বকুনি, ভাই-বোনের সঙ্গে ঝগড়া—এসবের কোনো বিকল্প নেই।

তবু দীর্ঘদিন একই মেসে থাকলে সেটিও একসময় পরিচিত হয়ে ওঠে। কোন ঘরে কে থাকে, কে কখন ঘুমায়, কার সকালে ক্লাস, কে রাতে পড়াশোনা করে—এসব জানা হয়ে যায়। কেউ কয়েক দিন মেসে না থাকলে তার অনুপস্থিতিও চোখে পড়ে। তখন বুঝতে হয়, জায়গার সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক তৈরি হতে সময় লাগে; কিন্তু একবার তৈরি হলে সেই সম্পর্ক সহজে ভাঙে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল কিংবা মেস—যেখানেই থাকি না কেন, ছুটির সময় বাড়ি ফেরার আনন্দ আলাদা। ব্যাগ গুছিয়ে যখন মেস থেকে বের হই, তখন মনে হয় কয়েক দিনের জন্য এই ঘর থেকে মুক্তি। কিন্তু বাড়িতে গিয়ে কয়েক দিন কাটানোর পর আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা মনে পড়ে। ছুটি শেষে রংপুরে ফিরে মেসের দরজা খুলে যখন ৩১২ নম্বর রুমে ঢুকি, তখন মনে হয়—পরিচিত একটা জায়গায় ফিরে এলাম।

বিছানা, টেবিল, জানালা—সবকিছু আগের মতোই থাকে। শুধু মানুষটি হয়তো একটু বদলে যায়। তিন বছরে বিশ্ববিদ্যালয়জীবন আমাকে যেমন বদলেছে, তেমনি ৩১২ নম্বর ঘরটিও আমার কাছে শুধু একটি কক্ষের পরিচয় ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা বই থেকে অনেক কিছু শিখি। কিন্তু মেসজীবনও কম শেখায় না। এখানে শিখতে হয় অন্যের সঙ্গে মানিয়ে চলতে। নিজের কাজ নিজে করতে হয়। অর্থের মূল্য বুঝতে হয়। সময়ের হিসাব করতে হয়। মতের অমিল হলে সমাধান করতে হয়।

সবচেয়ে বড় কথা, মেসজীবন মানুষকে বাস্তব জীবনের জন্য প্রস্তুত করে। একসময় যে শিক্ষার্থী বাড়িতে ছোটখাটো কাজও করত না, মেসে এসে তাকেই নিজের খাবার, কাপড়, ঘর, পড়াশোনা—সবকিছুর দায়িত্ব নিতে হয়।

এই ছোট ছোট দায়িত্বই একদিন বড় দায়িত্ব নেওয়ার অভ্যাস তৈরি করে। মেসজীবনের সবচেয়ে কষ্টের দিকগুলোর একটি হলো বিদায়। যে মানুষটির সঙ্গে প্রতিদিন দেখা হতো, একসময় সে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করে চলে যায়। যে ঘরটিতে তার হাসির শব্দ ছিল, সেটি একদিন অন্য কারও হয়ে যায়।

নতুন মানুষ আসে। নতুন বন্ধুত্ব হয়। আবার একদিন তারাও চলে যায়। এই বদলে যাওয়ার মধ্যেই হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের সবচেয়ে বড় সত্য লুকিয়ে আছে—কেউই স্থায়ী নয়। স্থায়ী হয়ে থাকে শুধু স্মৃতি।

২০২৩ সালে যে ঘরে উঠেছিলাম, সেই ৩১২ নম্বর রুম আজ আমার কাছে একটি সময়ের নাম। এখানে বসে হয়তো কোনো দিন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছি। কোনো দিন সংবাদ লিখেছি। কোনো দিন ক্যামেরা নিয়ে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি। কোনো দিন বাড়ির মানুষের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। আবার কোনো কোনো দিন কোনো কারণ ছাড়াই জানালার দিকে তাকিয়ে থেকেছি।

এই ঘরের চার দেয়াল আমার অনেক না-বলা কথার সাক্ষী।এখানে আমার আনন্দ আছে, হতাশা আছে, ব্যস্ততা আছে, একাকিত্ব আছে। আছে বন্ধুত্ব, আছে স্বপ্ন, আছে ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা। তিন বছর আগে যে তরুণটি এই ঘরে এসেছিল, সে আর আজকের মানুষটি এক নয়। বিশ্ববিদ্যালয় তাকে বদলেছে। ক্যাম্পাসের মানুষগুলো বদলেছে। সময় বদলেছে। কিন্তু সেই বদলে যাওয়ার গল্পের একটি বড় অংশ পড়ে আছে ৩১২ নম্বর ঘরে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য মেস কোনো বিলাসিতা নয়, প্রয়োজন। আবাসিক হলের সীমিত আসন, নানা বাস্তবতা কিংবা ব্যক্তিগত পছন্দের কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে মেসে থাকতে হয়। তাদের কাছে মেসই হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের ঠিকানা।

সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত প্রতিদিনের জীবনটা মেসকে ঘিরেই আবর্তিত হয়। তাই শিক্ষার্থীদের জীবনে মেসের গল্পও গুরুত্বপূর্ণ। কেউ হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় কোনো অনুষ্ঠানের কথা মনে রাখবে, কেউ কোনো পুরস্কার পাওয়ার দিনটিকে মনে রাখবে। কিন্তু অনেকের জীবনে এমন কিছু সাধারণ দিন থাকে, যেগুলো কোনো ছবিতে ধরা পড়ে না, কোনো সংবাদে আসে না—তবু সেগুলোই সবচেয়ে বেশি মনে থাকে।

একসঙ্গে বসে চা খাওয়া। পরীক্ষার আগের রাতে ভয় পাওয়া। বাড়ি থেকে খাবার আসায় সবাইকে ভাগ করে দেওয়া। মাস শেষ হওয়ার আগে টাকার হিসাব করা। গভীর রাতে বন্ধুর সঙ্গে গল্প করা। সকালে ঘুম ভেঙে ক্লাসে যাওয়ার তাড়া—এসবই মেসজীবনের গল্প। একদিন হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ হবে। মেস ছেড়ে দিতে হবে। ৩১২ নম্বর রুমের চাবি অন্য কারও হাতে চলে যাবে।

নতুন কোনো শিক্ষার্থী এসে হয়তো এই ঘরেই নিজের নতুন জীবন শুরু করবে। তারও থাকবে নতুন স্বপ্ন, নতুন বন্ধু, নতুন গল্প। সে হয়তো জানবেই না—তার আগে এই ঘরে বসে কেউ রাত জেগে পরীক্ষা দিয়েছে, কেউ সংবাদ লিখেছে, কেউ বাড়ির জন্য মন খারাপ করেছে, কেউ ভবিষ্যৎ নিয়ে ভেবেছে।

ঘরটি সব জানবে। কিন্তু কিছু বলবে না। কারণ একটি মেসের দেয়ালের কোনো স্মৃতিচারণের ক্ষমতা নেই। স্মৃতি থাকে মানুষের মধ্যে। আমার কাছে ৩১২ নম্বর রুম তাই শুধু একটি কক্ষ নয়। এটি আমার বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের একটি নীরব ডায়েরি। যার পাতাগুলো কাগজে লেখা হয়নি, লেখা হয়েছে প্রতিদিনের জীবন দিয়ে।

২০২৩ সালে যে দরজা দিয়ে ঢুকেছিলাম, একদিন হয়তো সেই দরজা দিয়েই শেষবারের মতো বেরিয়ে যাব। সেদিন হয়তো ঘরটাকে আরেকবার দেখে মনে হবে—এখানে তো শুধু তিন বছর থাকিনি, এখানে আমার বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের একটা বড় অংশ রেখে যাচ্ছি। আর তখন বুঝব, কিছু জায়গা আমরা ছেড়ে আসি, কিন্তু কিছু জায়গা কখনো আমাদের ছেড়ে যায় না। ৩১২ নম্বর রুম হয়তো তেমনই একটি জায়গা।

মাসফিকুল হাসান

লেখক ও শিক্ষার্থী

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর

লেখক: সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
এই লেখাটি ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দৈনিক মায়াবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত।
লিংক কপি হয়েছে!

ফোরাম ব্লাড ব্যাংক

রক্তদাতা খোঁজা হচ্ছে...

জরুরি প্রয়োজনে রক্তদাতা খুঁজুন

উপরের ফর্ম থেকে রক্তের গ্রুপ ও ঠিকানা নির্বাচন করে অনুসন্ধান করুন।