বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন

অনার্স ও ডিগ্রির সময়সীমার বৈষম্যের নিরসন জরুরি।

Author

আরিফুল কাদের , চট্টগ্রাম কলেজ

প্রকাশ: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ পাঠ: ৪৩ বার

অনার্স ও ডিগ্রির সময়সীমার বৈষম্যের নিরসন জরুরি। আরিফুল কাদের

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন কোর্সের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি কোর্স হলো ৪ বছর মেয়াদী অনার্স (সম্মান)  ৩ বছর মেয়াদী ডিগ্রি (পাস কোর্স)। উভয় কোর্সে প্রতিটি সাবজেক্টে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়, যেখানে ২০ নম্বর ইনকোর্সে ও অবশিষ্ট ৮০ নম্বরে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অনার্স ও ডিগ্রি উভয় কোর্সে ক, খ ও গ মোট ৩টি বিভাগ থাকে। ক বিভাগে ১২টি প্রশ্ন থেকে ১০টি প্রশ্নের উত্তর লিখতে হয়। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। খ বিভাগে ৯টি প্রশ্ন থেকে ৫টি প্রশ্নের উত্তর লিখতে হয়। প্রতিটি প্রশ্নের মান ৪। অন্যদিকে গ বিভাগে ৮টি প্রশ্ন থেকে ৫টি প্রশ্নের উত্তর লিখতে হয়। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১০। মোট ৮০ নম্বরের বার্ষিক পরীক্ষা। এক্ষেত্রে উভয় কোর্সের প্রশ্নের ধরন ও মানবণ্টন পুরোপুরি একই রকম। কিন্তু এখানে বড় ধরনের এক বৈষম্য দেখা যায় সময়ের ক্ষেত্রে। ৮০ নম্বরের উত্তরের জন্য অনার্স পড়ুয়াদের সময় দেওয়া হয় ৪ ঘণ্টা, যেখানে ডিগ্রী পড়ুয়াদের জন্য সময় দেওয়া হয় মাত্র ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। অর্থাৎ প্রায় ৩০ মিনিট সময় কম দেওয়া হয়। উভয় কোর্সের প্রশ্নের মান ও ধরণ নিয়ে আলোচনা করলে দেখা যায় উভয়ের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। প্রশ্ন অনুযায়ী ডিগ্রি পড়ুয়ারা তুলনামূলক সময় কম পাওয়ায় অনেকের পুরোপুরি লেখার সামর্থ্য থাকলেও তা লিখতে পারেন না। ফলে তারা অনেকাংশেই অনার্স পড়ুয়াদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ছেন। ডিগ্রি পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন বৈষম্যমূলক আচরণকে নিজেদের প্রতি এক অঘোষিত জুলুম বলে মনে করছেন ডিগ্রি পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। তাই ডিগ্রি পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মতো তাঁদের ন্যায্য সময় দাবি করছেন। অর্থাৎ ৩০ মিনিট সময় বাড়িয়ে মোট ৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবি করছেন।

লেখক: সাধারণ সদস্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
এই লেখাটি ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকায় প্রকাশিত।
লিংক কপি হয়েছে!