বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন
হোম / ফিচার / নিবন্ধ

সুস্থ ও সচেতন লাইফস্টাইল আধুনিক জীবনের ভারসাম্যের সন্ধানে

Author

তৌফিক সুলতান , ঢাকা মেডিকেল ইনস্টিটিউট

প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬ পাঠ: ৫৫ বার


আমরা প্রতিদিন কীভাবে ঘুম থেকে উঠি, কী খাই, কী ভাবি, কীভাবে কাজ করি, প্রযুক্তির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কেমন—এই সবকিছু মিলিয়েই আমাদের ‘লাইফস্টাইল’। বিংশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে একবিংশ শতাব্দীতে এসে ‘লাইফস্টাইল’ শব্দটি শুধু অভিজাতদের পছন্দের প্রতীক নয়, বরং সুস্থতা, উৎপাদনশীলতা ও মানসিক প্রশান্তির মূলমন্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের মতো দ্রুত বর্ধনশীল দেশে, যেখানে গ্রামীণ ঐতিহ্য আর নগরায়ণের গতিময়তা একসঙ্গে মিশে আছে, সেখানে একটি সচেতন লাইফস্টাইল গড়ে তোলা আজ আরও বেশি জরুরি।

Towfiq Sultan Sir

শারীরিক সুস্থতা: দেহই প্রথম ঠিকানা

খাদ্যাভ্যাস: আমরা যা খাই, তাই হয়ে উঠি

সুস্থ লাইফস্টাইলের ভিত্তি হলো সঠিক খাদ্যাভ্যাস। বাংলাদেশের খাদ্য সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ—ভাত, মাছ, ডাল, শাকসবজি আমাদের ঐতিহ্যবাহী পুষ্টির ভাণ্ডার। কিন্তু আধুনিক জীবনাচারে আমরা ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত তেল ও চিনির ওপর।

পুষ্টিবিদদের মতে, আমাদের প্লেটে প্রতিবেলায় থাকা উচিত পাঁচটি রঙের খাবার। সবুজ শাকসবজি, লাল টমেটো, কমলা গাজর, বাদামি ডাল ও সাদা দুধ বা দই—একটি রঙিন প্লেট নিশ্চিত করে যে শরীর সব ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল পাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে আমাদের সহজলভ্য দেশীয় খাবারগুলো যেমন ঢেঁকি ছাঁটা চালের ভাত, নানান ধরনের শাক, ইলিশ মাছ, ছোট মাছের ঝোল—এগুলো আসলে সুপারফুড। এগুলোর পুষ্টিগুণ আধুনিক বিজ্ঞান আজ বারবার প্রমাণ করছে।

তবে শুধু কী খাচ্ছি তা নয়, কখন ও কীভাবে খাচ্ছি—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। সকালের নাশতা এড়িয়ে যাওয়া, রাত ১০টার পর ভারী খাবার খাওয়া, খাবারের মাঝে দীর্ঘ ব্যবধান রাখা—এসব অভ্যাস বিপাকক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। সচেতন লাইফস্টাইলের একটি মূলনীতি হলো ‘মাইন্ডফুল ইটিং’—অর্থাৎ খাবার খাওয়ার সময় শুধু খাবারের ওপর মনোযোগ দেওয়া, ফোন বা ল্যাপটপের পর্দার দিকে না তাকিয়ে ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাওয়া।

ব্যায়াম ও নড়াচড়া: শরীরকে গতিশীল রাখা

শারীরিক সুস্থতার দ্বিতীয় স্তম্ভ হলো নিয়মিত শরীরচর্চা। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আগের মতো হাঁটা, সাইকেল চালানো, মাঠে দৌড়ানোর সুযোগ এখন সীমিত। এসকেলেটর, লিফট, মোটরসাইকেল, কার—প্রযুক্তি আমাদের আরাম দিয়েছে, কিন্তু নড়াচড়া কেড়ে নিয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্কের সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কার্যকলাপ করা প্রয়োজন। অর্থাৎ প্রতিদিন মাত্র ২২ মিনিট হাঁটলেই আমরা এই চাহিদা পূরণ করতে পারি। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। নগরজীবনে বসে থাকার সময় (সেডেন্টারি লাইফস্টাইল) এতটাই বেড়েছে যে এটি এখন ‘নতুন ধূমপান’ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্যায়ামের বিকল্প কিন্তু অনেক। মসজিদে যাওয়ার পথটুকু হেঁটে যাওয়া, বাসা থেকে অফিসের দূরত্বটা যদি হয় ২০ মিনিটের পথ, তাহলে সেটুকু হেঁটে যাওয়া, লিফটের বদলে সিঁড়ি বেয়ে ওঠা—এই ছোট ছোট অভ্যাস জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। যোগব্যায়াম ও স্ট্রেচিংও এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, যা শরীরকে শুধু সচলই রাখে না, মানসিক প্রশান্তিও আনে।

মানসিক সুস্থতা: অদৃশ্য অথচ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

শরীরের চেয়েও বেশি যত্ন নিতে হয় আমাদের মনকে। আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক পৃথিবীতে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, অতিরিক্ত চাপ—এসব যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম, যারা কর্মসংস্থান, শিক্ষা, সামাজিক প্রত্যাশা—নানা চাপের মধ্যে রয়েছে, তাদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা এখন জরুরি বিষয়।

মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা

চাপ জীবনের অংশ। কিন্তু চাপ যখন দীর্ঘস্থায়ী হয়, তখন তা শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে—রক্তচাপ বাড়ায়, ঘুমের সমস্যা তৈরি করে, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের কৌশল রপ্ত করা জরুরি।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ১০ মিনিট ধ্যান বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন মানসিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ‘মুরাকাবা’ বা ধ্যানপ্রক্রিয়া আধুনিক বিজ্ঞান সমর্থিত একটি পদ্ধতি। এছাড়া শখের চর্চা—ছবি আঁকা, গান শোনা, বাগান করা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা—এই ছোট ছোট আনন্দগুলো মনকে চাঙ্গা রাখে।

ডিজিটাল ডিটক্স: প্রযুক্তির সঙ্গে সুস্থ সম্পর্ক

আমরা যুগে আছি ‘অতিসংযোগের’ (hyperconnectivity)। সকালে ঘুম থেকে উঠে মোবাইল হাতে নেওয়া থেকে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত অনলাইনে থাকা আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের জীবন দেখে নিজের জীবনকে তুলনা করা, অনলাইনে নেতিবাচক সংবাদ ও মন্তব্যের শিকার হওয়া—এসব মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বিষাক্ত।

সচেতন লাইফস্টাইলের অন্যতম উপাদান হলো ‘ডিজিটাল ডিটক্স’। দিনে অন্তত এক থেকে দুই ঘণ্টা সম্পূর্ণ ডিজিটাল-মুক্ত থাকা—পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বই পড়া, খালি পায়ে ঘাসের ওপর হাঁটা—এসব মনকে প্রশান্তি দেয়। রাতের খাবারের সময়ে ফোনটি অন্য ঘরে রেখে দেওয়ার মতো ছোট অভ্যাস ঘুমের গুণগত মানও বাড়ায়।

ঘুম: শরীরের অটো-রিপেয়ার সিস্টেম

ঘুমকে অনেকেই অবহেলা করেন। কাজের চাপে, বিনোদনের নামে রাত জাগা—আমরা ঘুমকে ত্যাগ করতে রাজি। কিন্তু ঘুম আমাদের শরীরের ‘অটো-রিপেয়ার’ ব্যবস্থা। যখন আমরা ঘুমাই, তখন আমাদের মস্তিষ্ক দিনের তথ্যগুলো প্রক্রিয়াজাত করে, শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামত হয়, হরমোনের ভারসাম্য ফিরে আসে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্কের রাতে ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম প্রয়োজন। কিন্তু ঘুমের সময়টাও গুরুত্বপূর্ণ। রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা—এই সময়টিকে ঘুমের জন্য ‘গোল্ডেন উইন্ডো’ বলা হয়, কারণ এই সময় কর্টিসল হরমোনের মাত্রা কমে এবং মেলাটোনিন ও গ্রোথ হরমোনের নিঃসরণ সর্বোচ্চ হয়।

সুস্থ ঘুমের জন্য রুটিন তৈরি করা জরুরি। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠা—এমনকি ছুটির দিনেও—শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম বা জৈবিক ঘড়িকে সুস্থ রাখে। ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল, ল্যাপটপ, টেলিভিশন বন্ধ করে দিয়ে হালকা গান শোনা, বই পড়া বা পরিবারের সঙ্গে গল্প করা ঘুমের মান বাড়ায়।

সম্পর্ক ও সামাজিক সংযোগ: মানুষ বাঁচে সম্পর্কের বন্ধনে

মানুষ সামাজিক জীব। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের শক্তিশালী সামাজিক বন্ধন আছে, তারা দীর্ঘজীবী হন এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকেন। বাংলাদেশের সংস্কৃতি পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধনের জন্য পরিচিত। কিন্তু নগরায়ণ, কর্মব্যস্ততা, প্রযুক্তিনির্ভরতা সেই বন্ধনগুলোকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

সচেতন লাইফস্টাইলের অংশ হিসেবে আমাদের ইচ্ছাকৃতভাবে সময় বের করতে হবে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, পুরনো বন্ধুদের জন্য। মাসে একদিন হলেও আত্মীয়দের বাড়ি যাওয়া, প্রতিবেশীদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া, সামাজিক সংগঠনের কাজে অংশ নেওয়া—এসব অভ্যাস আমাদের একাকীত্বের হাত থেকে রক্ষা করে।

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের মতো সংগঠনগুলো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। লেখক, চিন্তানায়ক, তরুণ পেশাজীবীরা যখন একসঙ্গে কাজ করেন, লেখালেখি করেন, সাংস্কৃতিক চর্চা করেন, তখন সেখানে তৈরি হয় একটি ইতিবাচক ইকোসিস্টেম, যা প্রতিটি সদস্যের মানসিক ও সামাজিক সুস্থতায় ভূমিকা রাখে।

সময় ব্যবস্থাপনা: জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ

সময় অপরিমেয় সম্পদ। আমাদের প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা। কীভাবে এই সময়কে কাজে লাগাচ্ছি, সেটাই নির্ধারণ করে আমাদের জীবনের মান। সময় ব্যবস্থাপনার মূলমন্ত্র হলো ‘প্রথমে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করা’। স্টিফেন কোভির ‘আইজেনহাওয়ার ম্যাট্রিক্স’-এর ধারণা অনুযায়ী, কাজগুলোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়: জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু জরুরি নয়, জরুরি কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নয়, এবং জরুরি নয় ও গুরুত্বপূর্ণ নয়।

অধিকাংশ মানুষ দিনের বেশির ভাগ সময় ব্যয় করেন জরুরি কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নয় এমন কাজে (যেমন: ফোনে অযথা সময় কাটানো, অপ্রয়োজনীয় মিটিং) অথবা জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ কাজে (যা সংকটের সৃষ্টি করে)। কিন্তু সত্যিকারের উৎপাদনশীলতা আসে যখন সময় ব্যয় করা হয় ‘গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু জরুরি নয়’ এমন কাজে—যেমন: দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করা, নতুন দক্ষতা অর্জন করা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, স্বাস্থ্যচর্চা করা।

সকালের সময়টুকু বিশেষ মূল্যবান। সফল মানুষেরা সাধারণত সকাল ৫-৬টায় ঘুম থেকে ওঠেন। সকালের শান্ত সময়টুকু নিজের জন্য বরাদ্দ রাখা—ধ্যান, ব্যায়াম, পরিকল্পনা, পড়া—এসব অভ্যাস দিনটিকে সার্থক করে তোলে।

আধ্যাত্মিকতা: জীবনের গভীর অর্থের সন্ধান

সুস্থ লাইফস্টাইলের শেষ কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো আধ্যাত্মিকতা। আধ্যাত্মিকতা ধর্মের চেয়ে বড় কিছু—এটি হলো নিজের সঙ্গে, সৃষ্টির সঙ্গে, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের অনুভূতি। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের আধ্যাত্মিক চর্চা আছে, তারা জীবনের চাপ মোকাবিলায় বেশি সক্ষম, তাদের মধ্যে আশাবাদ ও কৃতজ্ঞতার মনোভাব বেশি থাকে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় চর্চা যেমন নামাজ, প্রার্থনা, ধ্যান—এসব আধ্যাত্মিকতার বাহন। নিয়মিত নামাজ বা প্রার্থনা মনকে শান্ত করে, শৃঙ্খলা আনে। তবে আধ্যাত্মিকতার আরও বিস্তৃত পরিসর আছে—প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানো, অন্যের জন্য ভালো করা, কৃতজ্ঞতা অনুশীলন করা, জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তে সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া।

প্রতিদিন সকালে বা রাতে ৫ মিনিটের জন্য ‘গ্রাটিটিউড জার্নাল’ রাখা—দিনে যে তিনটি বিষয়ের জন্য কৃতজ্ঞ, তা লিখে রাখা—আনন্দের মাত্রা বাড়ায় এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।

উপসংহার: ছোট পরিবর্তন, বড় অর্জন

সুস্থ লাইফস্টাইল কোনো একদিনে অর্জন করা যায় না। এটি একটি ধারাবাহিক যাত্রা। ছোট ছোট অভ্যাসের পরিবর্তন—প্রতিদিন ১০ মিনিট হাঁটা, একটি অতিরিক্ত কাপ চায়ের বদলে এক গ্লাস পানি, রাতে ফোনের পরিবর্তে একটি বই পড়া—এই ছোট পদক্ষেপগুলো একসময় জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়।

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো যখন লেখকদের ডিজিটাল প্রোফাইল আপডেটের মতো উদ্যোগ নেয়, তখন সেটিও একটি সাংগঠনিক লাইফস্টাইল পরিবর্তন—আরও পদ্ধতিগত, স্বচ্ছ ও আধুনিক হওয়ার প্রচেষ্টা। ঠিক তেমনিভাবে, ব্যক্তি পর্যায়ে আমাদেরও দরকার নিজের জীবনের ‘ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড’, যেখানে আমরা আমাদের খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, ঘুম, মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক ও সময়ের হিসাব রাখতে পারি।

আমরা যখন সচেতনভাবে নিজেদের জীবনযাপনকে সাজাই, তখন শুধু নিজেরাই উপকৃত হই না—আমাদের পরিবার, সমাজ ও দেশও উপকৃত হয়। একজন সুস্থ, প্রাণবন্ত, সৃজনশীল মানুষ দেশ গঠনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই আজ থেকেই শুরু করা যাক—একটি সুস্থ, সচেতন ও ভারসাম্যপূর্ণ লাইফস্টাইল গড়ে তোলার যাত্রা।

লেখক: শিক্ষক & প্রতিষ্ঠাকালীন দপ্তর সম্পাদক, সমন্বিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
লিংক কপি হয়েছে!