সান্ধ্যকালীন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করুন

উন্নত জীবন ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের প্রধান হাতিয়ার হলো শিক্ষা। কিন্তু আমাদের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে দারিদ্র্যের কষাঘাতে পিষ্ট হয়ে এক বিশাল জনগোষ্ঠী শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। দেশের বিপুল সংখ্যক এই শ্রমজীবী মানুষকে নিরক্ষর রেখে জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই বিশাল শ্রমজীবী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার জন্য ‘সান্ধ্যকালীন বিদ্যালয় বা নাইট স্কুল’ একটি কার্যকরী সমাধান। এক্ষেত্রে শিক্ষিত যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। স্থানীয় কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষক হিসেবে কাজ করলে পাঠদান কার্যক্রম মানসম্মত হওয়ার পাশাপাশি তরুণদের মাঝে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত হবে। সান্ধ্যকালীন শিক্ষার মাধ্যমে একজন মানুষ যখন সচেতন হয়ে উঠবেন, তখন তিনি তার অধিকার সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তাছাড়া যখন একজন সাধারণ শ্রমিক বা গৃহকর্মী লিখতে, পড়তে এবং সাধারণ হিসাবনিকাশ করতে পারবেন, তখন কর্মক্ষেত্রে তার আত্মবিশ্বাস ও মর্যাদা বহুগুণ বেড়ে যাবে।

