ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিশ্চিত করুন ।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতিবছর দুইটি ঈদ আসে। প্রায় সময় প্রতি বছরে ঈদের আগে দেশের বিভিন্ন গার্মেন্টস, শিল্প কারখানা ও প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে বেতন-বোনাস নিয়ে ঝামেলা তৈরি হয়। বিশেষত ঈদের কয়েক দিন আগে থেকে অনেক শ্রমিকদের কে রাস্তায় আন্দোলন করতে দেখা যায়। ফলাফল স্বরূপ মহাসড়কে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। প্রতি বছর ঈদে ঘরমুখো মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গ্রাম থেকে সাধারণ মানুষ জীবন জীবিকার সন্ধানে শহরে আসে প্রতিনিয়ত । অনেকেই পরিবার ছেড়ে শহরে একা বসবাস করে। শুধুমাত্র পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে সংগ্রাম করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। অনেকের পরিবার তাদের দিকে চেয়ে আছে, ঈদে কখন তারা বেতন-বোনাস পাঠাবে বাড়িতে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদের শপিং করবে । শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের বিষয়ে ইসলাম ধর্মে, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) বলেছেন, শ্রমিকদের ঘাম শুকানোর পূর্বে তার পারিশ্রমিক দিয়ে দাও। অথচ অনেক শিল্প কারখানার মালিকরা শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিয়ে অবহেলা করে। এ বছরও ব্যতিক্রম নয়, তেমনই আলামত দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৬০ থেকে ৭০টি কারখানায় বেতন-বোনাস নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এরই ধারাবাহিকতায় পুরো শিল্পাঞ্চলেই অস্থিরতার সৃষ্টি হতে পারে, যা নতুন সরকার চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন । বেতন-ভাতা ও ঈদ উপলক্ষে উৎসব বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন শুরু হয়ে গেছে। জাতীয় গার্মেন্টস প্রমিক জোট বাংলাদেশের উদ্যোগে সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। আগামী ২০ রমজানের মধ্যে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের সব বকেয়া মজুরি ও ঈদ বোনাস পরিশোধের দাবি জানানো হয়। সম্প্রতি গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় অবস্থিত রিপন নিটওয়্যারের শ্রমিকরা নাইট বিল ও বার্ষিক ছুটির পাওনা পরিশোধের দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোত কর্মসূচি পালন করেছেন। এদিকে ঈদুল ফিতরের আগে শ্রমিকদের বেতন ও বোনাল পরিশোধে সম্ভাব্য আর্থিক চাপ মোকাবেলায় স্বল্প সুদে ঋণ (সফট লেন) ও বকেয়া নগদ প্রণোদনার অর্থ দ্রুত ছাড়ের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। এমন পরিস্থিতিতে সরকার, মালিক ও শ্রমিক পক্ষকে একত্র হয়ে সংকট মোকাবেলায় দ্রুত কাজ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মোঃ শরীফুল ইসলাম, শিক্ষার্থী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা কলেজ।”>http://ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতিবছর দুইটি ঈদ আসে। প্রায় সময় প্রতি বছরে ঈদের আগে দেশের বিভিন্ন গার্মেন্টস, শিল্প কারখানা ও প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে বেতন-বোনাস নিয়ে ঝামেলা তৈরি হয়। বিশেষত ঈদের কয়েক দিন আগে থেকে অনেক শ্রমিকদের কে রাস্তায় আন্দোলন করতে দেখা যায়। ফলাফল স্বরূপ মহাসড়কে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। প্রতি বছর ঈদে ঘরমুখো মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গ্রাম থেকে সাধারণ মানুষ জীবন জীবিকার সন্ধানে শহরে আসে প্রতিনিয়ত । অনেকেই পরিবার ছেড়ে শহরে একা বসবাস করে। শুধুমাত্র পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে সংগ্রাম করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। অনেকের পরিবার তাদের দিকে চেয়ে আছে, ঈদে কখন তারা বেতন-বোনাস পাঠাবে বাড়িতে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদের শপিং করবে । শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের বিষয়ে ইসলাম ধর্মে, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) বলেছেন, শ্রমিকদের ঘাম শুকানোর পূর্বে তার পারিশ্রমিক দিয়ে দাও। অথচ অনেক শিল্প কারখানার মালিকরা শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিয়ে অবহেলা করে। এ বছরও ব্যতিক্রম নয়, তেমনই আলামত দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৬০ থেকে ৭০টি কারখানায় বেতন-বোনাস নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এরই ধারাবাহিকতায় পুরো শিল্পাঞ্চলেই অস্থিরতার সৃষ্টি হতে পারে, যা নতুন সরকার চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন । বেতন-ভাতা ও ঈদ উপলক্ষে উৎসব বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন শুরু হয়ে গেছে। জাতীয় গার্মেন্টস প্রমিক জোট বাংলাদেশের উদ্যোগে সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। আগামী ২০ রমজানের মধ্যে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের সব বকেয়া মজুরি ও ঈদ বোনাস পরিশোধের দাবি জানানো হয়। সম্প্রতি গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় অবস্থিত রিপন নিটওয়্যারের শ্রমিকরা নাইট বিল ও বার্ষিক ছুটির পাওনা পরিশোধের দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোত কর্মসূচি পালন করেছেন। এদিকে ঈদুল ফিতরের আগে শ্রমিকদের বেতন ও বোনাল পরিশোধে সম্ভাব্য আর্থিক চাপ মোকাবেলায় স্বল্প সুদে ঋণ (সফট লেন) ও বকেয়া নগদ প্রণোদনার অর্থ দ্রুত ছাড়ের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। এমন পরিস্থিতিতে সরকার, মালিক ও শ্রমিক পক্ষকে একত্র হয়ে সংকট মোকাবেলায় দ্রুত কাজ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মোঃ শরীফুল ইসলাম, শিক্ষার্থী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা।

