শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন
হোম / কবিতা / নিবন্ধ

রাগ করলেন?

Author

সেঁজুতি মুমু , বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬ পাঠ: ৮৩ বার

রাগ করলেন?

করেন নি, তবে এখন হয়ত করবেন!

আমি এমন কিছু কথা বলব, যা শুনে আপনাদের শোণিতে দাবানলের স্রোত বইবে।

 

“নারী” এই অস্তিত্বটা অন্তত বাংলাদেশ থেকে মুছে যাওয়া উচিত।

না না পুরুষদের দোষ দিচ্ছি না তো।

সব পুরুষ এক নয়।

কিন্তু প্রতিটা নিপীড়নের পিছনে কেন একজন পুরুষেরই হাত রয়?

কি রাগ করলেন?

 

নারী কেন, এই দেশ থেকে ছেলে শিশুদের অস্তিত্বও শেষ হয়ে যাওয়া উচিত।

পুরুষদের জন্ম থেকেই যুবক হওয়া দরকার!

এই দেশ থেকে শিশুদের বিলুপ্ত করতে হবে।

নরপিশাচদের কাছে কি ছেলে শিশু, কি মেয়ে শিশু! তারা শিশু দেখলেই বিকৃত মানসিকতা ধরে রাখতে পারে না।

আইন তো মানবতার কথা বলে। তাই নরপিশাচরা বাঁচুক, ওদের জীবনই জীবন!

আপনারা শিশু মুক্ত বাংলাদেশ গড়ুন।

কি রাগ করলেন?

 

একটা কাজ করতে পারবেন?

শুনেছি চাঁদে মানুষ বাঁচতে পারবে।

আমাকে চাঁদে কিছু জমি দেবেন।

এদেশে জন্ম নেয়া সব শিশুদের নিয়ে আমি ওখানে যাব।

সাথে নিয়ে যাব কিছু রোবট, যারা শিশুদের নিপীড়ন করার চিন্তাও আনতে পারবে না।

তারপর শিশুগুলো প্রাপ্তবয়স্ক হলে, তাদের আপনাদের হাতে তুলে দিয়ে যাবো।

কি দিতে পারবেন চাঁদে কিছু জমি?

ওমা রাগ করলেন নাকি?

 

এসব দিতে পারবেন না? খুব বেশি চেয়ে ফেলেছি!

তাহলে যা দেয়া যায় তা দিন না!

ন্যায্য বিচারটা অন্তত দিন।

মানবতার কথা শুনতে চাই না, এসব নরপিশাচরা মানবতার যোগ্য নয়।

এদের জনসম্মুখে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হোক।

তা না পারলে জনগণের হাতে তুলে দিন।

বাকিটা জনগণ বুঝে নিবে৷

হাম্বুরাবির আইন তো জানেন, “চোখের বদলে চোখ!”

এই নরপিশাচদের ক্ষেত্রে আমরা সেই আইন চাই।

মানবতার অসার বুলি বাদ দিন।

ওসব আর লোকে খায় না!

কি রাগ করলেন?

 

দেখুন মাননীয় বিচারপতি আর চুপ থাকবেন না।

যদি এভাবে চুপ থাকেন, আর জনগণ হাতে আইন তুলে নেয় তখন কিন্তু রাগ করতে পারবেন না!

কি রাগ করলেন?

আমার কথা শুনে আপনার ইচ্ছা হচ্ছে ভাংচুর করতে? লহুতে দাবানলের স্রোত বইছে!

ওমা ওভাবে কি দেখছেন, বুঝেছি বড্ড রাগ করেছেন! আচ্ছা ভাই আমি বিদায় নিচ্ছি!

লেখক: সাবেক সহ-সভাপতি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
লিংক কপি হয়েছে!