ইতিহাসের আয়নায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
এস এ এইচ ওয়ালিউল্লাহ
হাঁটি হাঁটি পা পা করে আজ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৪২ টি বছর অতিক্রম করে ৪৩ বছরে পদার্পণ করলো। ১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর তৎকালীন যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) এবং কুষ্টিয়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা শান্তিডাঙ্গা- দুলালপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। বাংলায় সর্বোচ্চ ইসলামী বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠার দাবি বহুকাল পুরনো। ইংরেজ শাসনামলের শুরু থেকেই এ দেশে একটি সর্বোচ্চ ইসলামী বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠার দাবি করে আসছিল বাংলার মুসলমানরা। কিন্তু ইংরেজ সরকার এ দাবীর প্রতি খুব একটা কর্ণপাত করেনি। পরবর্তীতে ব্যক্তি উদ্যোগে বেশ কয়েকবার সর্বোচ্চ ইসলামী বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছে। ১৯২০ সালে মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার দেয়াঙ পাহাড়ের পাদদেশে ইসলামী বা মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ভূমি ক্রয় করেন। কিন্তু সেই ভূমিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। ১৯৩৫ সালে মাওলানা শওকত আলী দেশের প্রথম বেসরকারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। কিন্তু এ বিশ্ববিদ্যালয়টিও পূর্ণতা পায়নি। পরবর্তীতে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হক কর্তৃক গঠিত মাওলা বক্স কমিটি ১৯৪১ সালে ‘ইউনিভার্সিটি অব ইসলামিক লার্নিং’ প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে। তারপর আবার ১৯৪৬-৪৭ সালে সৈয়দ মোয়াজ্জেম উদ্দিন কমিটি পূর্ব বাংলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোর সুপারিশ করে। দেশভাগের পরে ১৯৪৯ সালে মাওলানা আকরাম খাঁ কমিটিও মোয়াজ্জেম উদ্দিন কমিটির সুপারিশ কে সমর্থন করে। এই সুপারিশের দীর্ঘদিন পরে ১৯৬৩ সালে ড. এস এম হোসাইন এর সভাপতিত্বে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কমিশন গঠন করা হয়। একই বছর পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খান প্রবল জনদাবির মুখে বরিশালের কাসেমাবাদে এবং ১৯৬৫ সালে চট্টগ্রামে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। কিন্তু নানা নাটকীয়তায় কোন কমিটির সুপারিশ কিংবা কোনো প্রতিশ্রুতিই আশার আলো দেখতে পায়নি। এর কারণ হচ্ছে, ইংরেজ ও পাকিস্তানি শাসনের ২২২ বছরে কোনো সরকারই বাংলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সত্যিকারের আন্তরিক ছিলো না।
স্বাধীনতার পরে ইসলামের বিভিন্ন শাখার উপর গবেষণা এবং প্রকাশনার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ইসলামিক ফাউন্ডেশন গঠন করেন। তারই ধারাবাহিকতায় দেশে উচ্চতর ইসলামী শিক্ষা ও জ্ঞান বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় পঠন-পাঠনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৬ সালের ১ ডিসেম্বর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। অবশ্য তারও আগে ১৯৭৪ সালে মাওলানা ভাসানী সন্তোষে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বেসরকারিভাবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালের ২৭ জানুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর এম. এ. বারীকে সভাপতি করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিকল্পনা কমিটি গঠন করা হয়। একই বছরে ওআইসির উদ্যোগে মক্কায় অনুষ্ঠিত মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের এক সম্মেলনে বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্রে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করা হয়। একই বছরের ২০ অক্টোবর প্রফেসর বারী কমিটি রিপোর্ট পেশ করে। বারী কমিটির রিপোর্ট এবং ওআইসির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৪ কিঃমিঃ দক্ষিণে এবং ঝিনাইদহ শহর থেকে ২২ কিঃমিঃ উত্তরে কুষ্টিয়া- ঝিনাইদহ মহাসড়কের পাশে শান্তিডাঙ্গা- দুলালপুর নামক স্থানে ১৭৫ একর জমিতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দেড় বছরের মধ্যে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়। ১৯৮২ সালে জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ দেশের ক্ষমতা গ্রহণের পরে এই বছরেই ২৮ অক্টোবর এক অধ্যাদেশ বলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৮০ সংশোধন করেন। সংশোধিত অধ্যাদেশের ৪২(বি) ধারা অনুসারে শান্তিডাঙ্গা- দুলালপুরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ স্থগিত করা হয়। ১৯৮৩ সালের ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতির আদেশবলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস গাজীপুরের বোর্ডবাজারে স্থানান্তর করা হয়। ২১ জুলাই সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয়বার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেনারেল এরশাদ। প্রথম ভিত্তি স্থাপনের পাঁচ বছর পরে ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। গাজীপুরের বোর্ডবাজার ক্যাম্পাসে চারটি বিভাগে ৩০০ জন ছাত্র ও ১২ জন শিক্ষক নিয়ে যাত্রা শুরু করে এদেশের মুসলমানদের দুই শতাধিক বছরের লালিত স্বপ্ন দেশের সর্বোচ্চ ইসলামী বিদ্যাপীঠ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৮৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শহীদ দিবসের পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শহীদ মিনার নির্মাণের দাবি জানায় ছাত্ররা। এ দাবির প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সমর্থন না জানিয়ে উল্টো স্মারকলিপিতে স্বাক্ষরকারী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের হুমকি প্রদান করে। এমতাবস্থায় বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ছাত্ররা। ছাত্ররা এ হুমকির প্রতি কর্ণপাত না করে ভাষাসৈনিক অ্যাডভোকেট গাজীউল হককে প্রধান অতিথি করে ১৯৭৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ক্যাম্পাসে শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়। এমতবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৯ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ করেই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে এবং আবাসিক ছাত্রদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়। কিন্তু ছাত্ররা সেই নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করে হলে অবস্থান করে এবং ১৯ তারিখ রাত্রেই ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের কাছে শহীদ মিনার নির্মাণ করে। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শহীদ মিনার নির্মাণ করার কারণে ৪ ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়। শহীদ মিনারের সাথে যুক্ত থাকার অপরাধে স্বাধীন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্র বহিষ্কারের ঘটনায় ছাত্রদের পাশাপাশি সারাদেশে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। দেশব্যাপী সৃষ্ট ক্ষোভের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে। কিন্তু এর কয়েক মাস পরেই বিভিন্ন ইস্যুতে শহীদ মিনার নির্মাণের সাথে জড়িত ২০ জন ছাত্রের প্রমোশন বাতিল করা হয়। এ ঘটনায় ক্যাম্পাস আবারো উত্তাল হয়ে ওঠে। ১৯৮৮ সালের অক্টোবরে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রীয় সফরে নিউইয়র্কে থাকাকালে শিক্ষামন্ত্রী এবং পূর্তমন্ত্রী কে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে পুনরায় শান্তিডাঙ্গা- দুলালপুরে স্থানান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এবং উপাচার্য মমতাজ উদ্দীন চৌধুরীকে অপসারণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম কে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
কুষ্টিয়া- যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবী ও আন্দোলন এবং কুষ্টিয়াতে রাষ্ট্রপতি এরশাদকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা সহ নানাবিধ কারণে মন্ত্রীসভার বৈঠকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে আবার পূর্বের স্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ১৯৯০ সালের ৩ জানুয়ারী । অবশ্য তারও আগে ১৯৮৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর গাজীপুর ক্যাম্পাসের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১০ জানুয়ারি,১৯৯০ রাত্রে পুলিশি প্রহরায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল রেকর্ডপত্র ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। ১৯৯০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে গাজীপুর থেকে কুষ্টিয়ায় স্থানান্তর করা হয়। মূল ক্যাম্পাসের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় গাজীপুরের বোর্ড বাজার থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থানান্তর করে বিকল্প ব্যবস্থায় কুষ্টিয়া শহরের পি.টি.আই ভবনে ধর্মতত্ত্ব ও ইসলাম শিক্ষা অনুষদ, কুষ্টিয়া ম্যাটস ভবনে মানবিক ও সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ এবং শহরের ভাড়া করা অন্যান্য ভবনে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে একযোগে আরো ৫টি নতুন বিভাগ প্রবর্তিত হয়। সাধারণ ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবারের মতো ছাত্রী ও ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির রেওয়াজ চালু করা হয়। ১৯৯২ সালের ১ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ ঠিকানায় শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। সেই সাথে উচ্চতর ডিগ্রী প্রদানের জন্য ১৯৯৩ সালের দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এ.ফিল এবং পি-এই.ডি কার্যক্রম শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি হিসেবে এ পর্যন্ত ৬৯৪ জনকে এমফিল এবং ৫১০ জনকে পিএইচডি ডিগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল গবেষণারত রয়েছেন ২৪৭ জন এবং পিএইচডি গবেষণা করছেন ২৯৪ জন।
বহু চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বর্তমানে ৮টি অনুষদ, ৩৪টি বিভাগ, ১টি ইনস্টিটিউট, ১টি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ, প্রায় ১৫৩৮৪ জন ছাত্র-ছাত্রী, ৩৮জন বিদেশি শিক্ষার্থী, ৩৯৪জন শিক্ষক- শিক্ষিকা, ৪৭৩জন কর্মকর্তা, ১১৭জন সহায়ক কর্মচারী, ১৭১ জন সাধারণ কর্মচারী নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এখন বিশ্ববিদ্যালয়টি। ছাত্রদের জন্য রয়েছে ৫টি আবাসিক হল এবং ছাত্রীদের জন্য রয়েছে ৩টি। সম্প্রতি দুইটি দশ তলা হলের কাজ আরম্ভ করা হয়েছে।
এছাড়া দেশের ক্যাম্পাস ভিত্তিক সবচেয়ে বড় শহীদ মিনার ইবি ক্যাম্পাসেই অবস্থিত। ক্যাম্পাস ভিত্তিক সবচেয়ে বড় মসজিদও রয়েছে এখানে (তুর্কি স্থাপত্য-শৈলীর এক অনন্য নিদর্শন)। এদিকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতিচ্ছবি হিসেবে রয়েছে স্মৃতিসৌধ এবং মুক্ত বাংলা ভাষ্কর্য। রয়েছে দেশের ২য় উচ্চতম জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি ম্যুরাল ‘মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব’, নান্দনিক সততার স্মারক ‘সততা ফোয়ারা’। এছাড়াও রয়েছে ১২০০ আসন বিশিষ্ট সম্পূর্ন শীততাপ নিয়ন্ত্রীত বীরশ্রেষ্ট হামিদুর রহমান মিলনায়তন, নয়নাভিরাম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় লেক।
অন্য সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মতো এই বিশ্ববিদ্যালয় সকল ইবিয়ানের অহংকার। হাজারো ইবিয়ানের স্মৃতির মনিকোঠায় অস্তিত্বপ্রতিম এই প্রতিষ্ঠান আজ মহীরুহ অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। সীমাবদ্ধতা গুলো কাটিয়ে ছুটে চলুক নব উদ্যোমে নতুন জ্ঞান আর শিক্ষার্থীদের অভীষ্ট লক্ষ্য পূরণে। চির অম্লান থাকুক প্রিয় ক্যাম্পাসের গৌরব আর ঐতিহ্য। স্বাতন্ত্র্য ধরে রেখেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হোক অনন্য। এই প্রত্যাশায় ‘শুভ জন্মদিন প্রিয় ক্যাম্পাস’।
লেখক: শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
লেখক: সভাপতি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
এই লেখাটি ২২ নভেম্বর ২০২১ তারিখে
দৈনিক মানবকন্ঠ
পত্রিকায় প্রকাশিত।
