কুরবানির পূর্বে এবং পরে করণীয়
কোরবানির পূর্বে এবং পরে করণীয়
জিলহজ মাস মুসলিম উম্মাহর ত্যাগের মাস। মহান সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভের আশায় মুসলিম উম্মাহ পশু কোরবানি করে থাকে। তবে পশু কোরবানির পূর্বে এবং পরে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা প্রয়োজন।
যেমন – ১. জিলহজ মাসের চাঁদ ওঠার পূর্বে কোরবানি দাতার লোম, নখ কাটতে হবে। কিন্তু চাঁদ ওঠার পরে কোরবানির আগ পর্যন্ত তাদের শরীরের লোম, নখ কাটা থেকে বিরত থাকা উচিত।
২. পশু কোরবানি পূর্বে অবশ্যই পশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করাতে হবে।
৩. পশুর কষ্ট কমানোর জন্য ধারালো ছুরি ব্যবহার করতে হবে। তবে কোনো ভাবেই পশুর সামনে অস্ত্র ধার করা যাবে না।
কোরবানির পূর্বে এই সকল নিয়ম অনুসরণ করে কোরবানির প্রস্তুতি নেওয়া আবশ্যক। এর পরে পশুকে কিবলামুখী করে মহান সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে হবে। তবে এখানেই দায়িত্ব শেষ নয়।
কোরবানির পরেও কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
১. কোরবানির পর পশুর শরীর ঠাণ্ডা হাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। পরবর্তীতে চামড়া ছাড়াতে হবে।
২. কুরবানির গোশত শরীয়তের বিধান অনুযায়ী তিন ভাগে ভাগ করতে হবে। ( নিজের পরিবার,নিজের আত্মীয়স্বজন ও পাড়াপ্রতিবেশী, গরিব – দুঃখী)
৩. কোরবানির গোশত সঠিক প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করতে হবে।
৪. কোরবানির বর্জ্য যথাসময়ে যথাস্থানে ফেলতে হবে। পশুর রক্ত পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। ( কোরবানির জায়গায় ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে হবে)
উপরোক্ত নিয়মগুলো অনুসরণ করার মধ্যেই মুসলিম উম্মাহর সামাজিক এবং ধর্মীয় কর্তব্য নিহিত।
