শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন
হোম / চিঠিপত্র / নিবন্ধ

​খামারিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করুন

Author

সরফরাজ শিপন , সরকারি শাহ্ সুলতান কলেজ, বগুড়া

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬ পাঠ: ২১ বার

খামারিরা সারা বছর গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়া লালন-পালন করেন—স্বপ্ন দেখেন কোরবানির ঈদে কিছু লাভ হবে। কিন্তু দুঃখজনক হলো, প্রতিবারই একটি চক্রের কারসাজিতে খামারিদের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায়। বর্তমানে গোখাদ্যের অস্বাভাবিক দাম এবং ওষুধের উচ্চমূল্যের কারণে প্রতিটি পশুর উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। অথচ বাজারের অস্থিরতা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যে খামারিরা তাঁদের কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, খামারিরা যখন লোকসানে পশু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন, ঠিক তখন সাধারণ ক্রেতারা চড়া দামে কোরবানির পশু কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। আর ফায়দা লুটছে ফড়িয়া ও দালালচক্র, যারা খামারি ও ক্রেতা উভয়কেই জিম্মি করেছে। কোরবানির পশুর হাটে খামারিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রতিবছর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। আমদানিকৃত পশুর চেয়ে দেশীয় খামারিদের লালন-পালন করা পশুর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, কোরবানি উপলক্ষে যেন যথাযথ বাজার মনিটরিং ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে খামারিদের কষ্টের মূল্যায়ন করা হয়।

লেখক: সাধারণ সদস্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
লিংক কপি হয়েছে!