স্বস্তিতে অপেক্ষা করুক,প্রবাসীদের স্বজনরা
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হলো শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের লাখো যাত্রী, বিশেষ করে প্রবাসীরা, এই বিমানবন্দর ব্যবহার করেন। হাজার মাইল দূরে থেকেও প্রবাসীরা তাঁদের শ্রম ও ঘামের বিনিময়ে অর্জিত রেমিট্যান্সের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। কিন্তু প্রবাসীদের স্বজনরা কাউকে বিদায় জানাতে বা গ্রহণ করতে এসে প্রায়ই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন। বৃষ্টি বা তীব্র রোদের সময় পর্যাপ্ত ছাউনি, বসার স্থান ও অন্যান্য সুবিধার অভাবে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
তাই বিমানবন্দরের বাইরে উন্নত অপেক্ষা জোন, পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির সুবিধা ও পরিচ্ছন্ন শৌচাগার স্থাপন করা জরুরি। এতে প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা স্বস্তিতে অপেক্ষা করতে পারবেন এবং বিমানবন্দর এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় থাকবে। প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, তাই তাদের পরিবারের জন্য এসব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়োজন।
সানজিদা আফরিন মেঘলা
অর্থনীতি বিভাগ, চট্টগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ
লেখক: কার্যনির্বাহী সদস্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
এই লেখাটি ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে
দৈনিক আজাদী
পত্রিকায় প্রকাশিত।
