ধূমপানমুক্ত ক্যাম্পাস চাই

ধূমপানে বিষপান। বিশ্বে যত লোক মারা যায়, তার দ্বিতীয় প্রধান কারণ ধূমপান। ধূমপানের ফলে কেবলমাত্র যে ধূমপায়ী নিজেই ক্ষতিগ্রস্থ হয় তা নয়, বরং আশেপাশের অধূমপায়ীদের ক্ষতির কারণ যা ‘সেকেন্ড হ্যান্ড স্মোকিং’ নামে পরিচিত। এইজন্য বাংলাদেশে ধূমপান বিরোধী মনোভাব বেড়েই চলছে। ধূমপানকে মাদকের মা বলেও ডাকা হয়ে থাকে। অথচ স্বাধীন বাংলাদেশে স্থাপিত দেশের প্রথম বিদ্যাপীঠ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ধীরে ধীরে ধূমপায়ীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ক্যাম্পাসে একটু ঘোরাঘুরি করলেই দেখা মেলে চলছে প্রকাশ্যে ধূমপান। হলের টিভি রুমেও সিগারেটের ধোঁয়ার গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয়। এছাড়াও টিএসসিসিসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন চত্ত্বরে ধূমপান চলে প্রকাশ্যেই। অথচ দেখার যেন কেউই নাই। কখনও কখনও শিক্ষকদেরই শিক্ষার্থীদের সামনে ধূমপান করতে দেখা যায়। ২০০৫ সালে প্রণিত ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনের সংশোধিত আইনে প্রকাশ্যে জরিমানার পরিমাণ ৩০০ টাকার বিধান রয়েছে। যেখানে দেশের ভবিষ্যত নেতৃত্ব তৈরি হবে, দেশের বৃহত্তর কল্যাণে সেখানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা উচিত।


