শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন
হোম / সাহিত্য / নিবন্ধ

বৃষ্টি বিলাস।

Author

সেঁজুতি মুমু , বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬ পাঠ: ৩১ বার

বৃষ্টিবিলাস

✍️সেঁজুতি মুমু

 

বারিশ ভীষণ পছন্দ আমার।

আমার শৈশব, কৈশোর, যৌবনের অনেকটা জুড়ে আছে এই বারিধারার গল্প।

আমি বর্ষা কালের কথা বলছি না, আমি ষড়ঋতুর যেকোনো মুহুর্তের বর্ষণের কথা বলছি।

আমি জানি এই বর্ষা সবার জন্য আনন্দ বয়ে আনে না।

কিন্তু আজ আমি শুধুই আমার কথা বলছি, আজ আমি আমার আনন্দের কথা বলছি।

অম্বর থেকে বারিধারা যখন ভুমিতে পড়ে,

আমি তৃষ্ণার্ত চাতকের মতো সেই বর্ষণের অপেক্ষা করি।

জলবায়ুর পরিবর্তনে কনকনে শীতেও যখন বৃষ্টি আসে, আমি যেন ঠান্ডা ভুলে যাই, আনমনে ভিজি বৃষ্টিতে।

জ্বর আসবে বলে মায়ের বকুনি শুনি।

এত বড় হয়েও মায়ের বকুনি, জ্বরের ভয় কোনো কিছুই আমার রুখতে পারে না।

আমি যে বৃষ্টি বিলাসী!

খোলা আকাশের নিচে মুখমন্ডল উঁচু করে থাকি, আর বারিধারা আমার মুখকে স্পর্শ করে।

তখন আমি যেন স্বর্গীয় স্পর্শ অনুভব করি।

আমার মনের ভিতরে এখনো শিশুত্ব বেঁচে আছে, সেই শিশুত্ব আমায় এই ছোট ছোট মুহুর্তে ভীষণভাবে বাঁচতে অনুপ্রাণিত করি।

তাই আমি বলি, আমি চির শিশু।

আমার এই শিশুত্বকে আমি মরতে দেব না।

সেই বৃষ্টিবিলাসের কত মুহুর্ত যে আলোকচিত্রে বন্দি করেছি তার ঠিক নেই।

তবুও ভালো লাগে!

আমি স্মৃতি জমাই।

 

ওরা বলেছিল, “নারীদের ছবি দেখবে, সব কৃত্রিম প্রসাধনী মেখে আসল রূপ ঢাকা। তাই বর্ষাকালে ওদের দেখতে যাবে, আসল চেহারা সামনে আসবে!”

বড্ড হাসি পেয়েছিল! কোনো কৃত্রিম প্রসাধনীর আশ্রয় আমার কি প্রয়োজন?

আমি যে প্রকৃতির কন্যা।

তাই প্রকৃতি প্রদত্ত রুপেই আমি গর্বিত।

দেখো তবে আজ আমায়, বর্ষার দিনেই প্রকৃত রুপে বৃষ্টিবিলাসী এক প্রকৃতি ললনা!

লেখক: সাবেক সহ-সভাপতি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
লিংক কপি হয়েছে!