শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন

টমটম গাড়ি

Author

সেঁজুতি মুমু , বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ পাঠ: ৫০ বার

দশ, বারো বছর আগেও আমাদের কাছে দূর্গা পূজার অন্যতম আনন্দ ছিল, মেলায় গিয়ে “টমটম গাড়ি” কেনা। তখন দাম ছিল মাত্র পাঁচ টাকা, পরে অবশ্য দশ টাকা হয়েছিল। সারাদিন এই গাড়িতে দড়ি বেঁধে চালিয়ে নিয়ে বেরাতাম আমি, রিমি আর বিশাল। গাড়িটা চলতো আর ঢোল বাজানোর মতো শব্দ করতো। সারাদিন এই শব্দ করতাম আর মায়ের বকুনি শুনতাম। ওটাই ছিল আমাদের আনন্দ। এখনকার বাচ্চাদের মোবাইল, ইন্টারনেট তথা প্রযুক্তি যতটা মোহিত করে রেখেছে, ওরা আর এই আনন্দগুলো বোঝে না। এগুলো ওদের কাছে “সো ওল্ড থিংস”! তবে এখনো এগুলো বিলুপ্ত হয়ে যায় নি। কাল বিনীতা একটা টমটম গাড়ি কিনেছে। তবে এখন এটার দাম বিশ টাকা! সেই আমরা কিনতাম পাঁচ টাকায়। আর এখন বিশ, ত্রিশ আবার ঢাকার ঐদিকে পঞ্চাশ টাকায়ও বিক্রি হয়! ভাবতেই অবাক লাগে এখনকার বাচ্চারা অল্প বয়সে যে জিনিসগুলো কেনে, ষষ্ঠ-সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময়ও ওগুলো আমাদের কাছে ছিল বড়দের জিনিস! আমরা ষষ্ঠ-সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় নিজেদের বড় ভাবতেই পারতাম না। তখনো টমটম গাড়ি, পটকা ফুটানো এসব ছিল আমাদের পূজার আনন্দ৷ আর এখন পঞ্চম শ্রেণির বাচ্চারা এমন এটিটিউট নিয়ে থাকে যেন তারা কতই না বড়! সবাই অল্প বয়সে “এডাল্ট” হতে চায়। আর আমরা এডাল্ট হয়ে এখন আবার চাইল্ডহুডে ফিরে যেতে চাই। এই জন্যই বুঝি বলে আমরা যখন যা থাকে তার মুল্য বুঝি না, যখন হারাই তখন তার মুল্য টের পাই। আমার আজও শৈশবের সেই সোনালী দিনগুলো স্পষ্ট মনে পড়ে। সেই দূর্গা পুজা, টমটম গাড়ি, পটকা ফুটানো, পাপড় খাওয়া, নতুন জামা পড়ে ঘুরতে যাওয়া এই তো ছিলো আমাদের সোনালী দিন। এখনো বছর বছর দূর্গা পুজো আসে৷ কিন্তু শৈশবের সোনালী দিন আর আসে না৷ এখন সেই নির্মল আনন্দ আর নেই৷ তবে যেমনই আছে তাও মন্দ নয়৷ এই এডাল্টহুডের দূর্গা পুজাও বেশ কাটছে।

 

 

শারদীয় শুভেচ্ছা।

শুভ মহাসপ্তমী। 🙏

লেখক: সদস্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
লিংক কপি হয়েছে!

ফোরাম ব্লাড ব্যাংক

রক্তদাতা খোঁজা হচ্ছে...

জরুরি প্রয়োজনে রক্তদাতা খুঁজুন

উপরের ফর্ম থেকে রক্তের গ্রুপ ও ঠিকানা নির্বাচন করে অনুসন্ধান করুন।